জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভকারীরা জানান, সাধুরপাড়া নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও তার শ্যালিকা সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফা আক্তারের মাসিক বেতন-ভাতা (এমপিও) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে। নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ মেলায় গত ২৮ আগস্ট এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কিন্তু এমপিও বাতিলের পরও অভিযুক্তরা ঘুষের মাধ্যমে একটি প্রভাবশালী চক্রের সহযোগিতায় পুনর্বহালের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করে বিক্ষোভকারীরা।
মানববন্ধনে বক্তৃতা দেন খালিদ সাইফুল্লাহ বাবু মোল্লা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ার পরও অভিযুক্ত শিক্ষকেরা মাউশির পরিচালক অধ্যাপক কাজী মো. আবু কাইয়ুম শিশিরের সঙ্গে আঁতাত করে বেতন চালুর চেষ্টা করছেন।”
অন্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন আতাউর মোল্লা ও শরিফ মিয়া। তারা অভিযোগ করেন, মাউশির ওই পরিচালকের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এবং ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে তার অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বিক্ষোভকারীরা আরও জানান, প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ টানা ১৬ বছর ধরে তার শ্বশুরকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে বহাল রেখেছিলেন। একটি বাতিল হওয়া কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফা আক্তারের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর জালিয়াতিরও প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বিক্ষোভ শেষে আন্দোলনকারীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।


সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন