শেরপুরের চরপক্ষীমারী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে ব্রহ্মপুত্র নদের খননকৃত বালি স্তুপ করে রাখার কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হওয়ায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছেন। মানববন্ধন শেষে তারা জেলা প্রশাসক ও জেলা বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির নিকট একটি স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে তারা “ড্রেজিং ও ড্রেজড ম্যাটেরিয়াল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫” অনুযায়ী জমির ভাড়া/ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা, বাধ্যতামূলক স্ট্যাম্প চুক্তিপত্র ছাড়া কোনো ব্যক্তিগত জমিতে বালি সংরক্ষণ না করা, এবং ক্ষতিপূরণ প্রদান না হওয়া পর্যন্ত ১৯ নভেম্বর প্রকাশিত বালি বিক্রয়ের দরপত্র স্থগিত রাখার দাবি জানান।
এছাড়া ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে বালি স্তুপ করার পরও জমির মালিকরা কোনো ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় সরকার নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে জমির মালিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবিও উত্থাপন করেন। তারা আরও সতর্ক করেন, ক্ষতিপূরণ ছাড়া টেন্ডার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিলে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।
স্মারকলিপির অনুলিপি ভূমি মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনারসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। মানববন্ধনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারগুলোর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন