শেরপুর সদর উপজেলার কামারচর বাজারে ইজারাদার ও কামারচর ট্রাক অফিসের কোষাধক্ষ্য, একইসঙ্গে কামারচর পাবলিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. ইউসুফ আলীর ওপর হামলা ও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর ২০২৫) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে কামারচর বাজারস্থ বেগুনের হাট এলাকায়। এ ঘটনায় ইউসুফ আলী নিজে বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে ইউসুফ আলী উল্লেখ করেন, তিনি সরকারিভাবে কামারচর বাজার এক বছরের জন্য ইজারা নিয়ে নিয়মিত পরিচালনা করে আসছিলেন। এ অবস্থায় একই এলাকার মো. খোকন মিয়া ওরফে পাগল (৪৫), মো. মিন্টু মিয়া (৩৫), মো. জানু মিয়া (৩০), মো. মোহাসিন মিয়া ওরফে মোক্কা (৩০) এবং মো. সোহাগ আলী (৩০)সহ একদল দাঙ্গাবাজ, চাঁদাবাজ প্রকৃতির ব্যক্তি তার কাছে দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন বিকেলে ইউসুফ আলী ও তার সহকারী জুয়েল মিয়া বাজারের কালেকশন করছিলেন। ওই সময় খোকন মিয়ার নেতৃত্বে আসামিরা হাতে লোহার রড, বাঁশের লাঠি-সোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে কালেকশন করতে বাধা দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। প্রতিবাদ করলে খোকনের নির্দেশে আসামিরা ইউসুফ আলী ও জুয়েল মিয়ার ওপর হামলা চালায়। এতে তারা শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম পান।
চিৎকার শুনে বাজারের লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে। যাওয়ার সময় আসামিরা হুমকি দিয়ে বলে, দাবি করা পাঁচ লাখ টাকা না দিলে ইউসুফকে বাজারে, ট্রাক অফিসে কিংবা স্কুলে আসতে দেওয়া হবে না— এমনকি সুযোগ পেলে খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুবাইদুল আলম বলেন, “অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব এসআই আখতারকে দেওয়া হয়েছে। তিনি ঘটনাস্থলে সরেজমিনে তদন্ত করছেন।” আসামিরা অনেকেই আওয়ামীলীগ দূষরদের সাথে সখ্যতা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন ইউসুফ ।

সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন