আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের হাতে নিজ নিজ প্রতীক তুলে দেন।
শেরপুর-১ (সদর) আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। তারা হলেন—
- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা — ধানের শীষ
- জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম — দাঁড়িপাল্লা
- এনসিপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া — শাপলা কলি
- জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক মনি — লাঙল
- স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ — মোটরসাইকেল
তবে প্রতীক বরাদ্দের সময় এনসিপি প্রার্থী উপস্থিত না থাকায় তার পক্ষে কেউ প্রতীক গ্রহণ করেননি।
শেরপুর-২ (নকলা–নালিতাবাড়ী) আসনে চারজন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন—
- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী মো. ফাহিম চৌধুরী — ধানের শীষ
- জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া — দাঁড়িপাল্লা
- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল কায়েস — হাতপাখা
- এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ বাদশা — ঈগল
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন—
- বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল — ধানের শীষ
- জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুরুজ্জামান বাদল — দাঁড়িপাল্লা
- ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন — হাতপাখা
- বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান — কাঁচি
- বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা — মোটরসাইকেল
প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রার্থীদের সঙ্গে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা। এ সময় নির্বাচন আচরণবিধি মেনে চলা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সহিংসতা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়।
একই সঙ্গে পরবর্তী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০২৬ সালের গণভোটে পোস্টাল ব্যালট (OCV ও ICPV) পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ এবং ব্যালট বাক্স প্রস্তুতকরণ বিষয়ে একটি অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতীক বরাদ্দ ও সভায় উপস্থিত ছিলেন— বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল আমিন (পিএসসি), পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)শাকিল আহমেদ, এনএসআইয়ের উপপরিচালক মো. ইফতেখারুল হক, জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, প্রার্থী, তাদের সমর্থক এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাসহ বিভিন্ন ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দরা।

সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন