জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ- বকশীগঞ্জ) আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার, জাতীয় পার্টি-এর একেএম ফজলুল হক এবং গণ অধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলাম।
১২ ফেব্রুয়ারি দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০ ভোট।
অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী একেএম ফজলুল হক লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩১ ভোট এবং গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ২২৬ ভোট।নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হয়। এ আসনে বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪টি। সেই হিসেবে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৩৪ হাজার ৫৯৪ ভোট। বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ছাড়া বাকি তিনজন ওই সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক জানান, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দিতে হয়েছে। নির্ধারিত এক-অষ্টমাংশ ভোট না পেলে সেই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
উল্লেখ্য, জামালপুর-১ আসনে ১২৮টি কেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭০৭ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণের হার ছিল ৬৫.০৮ শতাংশ।
এর মধ্যে বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪টি।


সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন