রুহুল আমীন মিলন দীর্ঘ সময় ধরে জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সংগঠনের ভেতরে ও বাইরে তার সক্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে তিনি জামালপুর সদর উপজেলা রাজনীতিতে একটি সুপরিচিত ও প্রভাবশালী নাম হয়ে উঠেছেন।
দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক পুনর্গঠনে তার ধারাবাহিক উপস্থিতি নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের সময়েও তিনি মাঠ ছাড়েননি। বিশেষ করে জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সংগঠনকে সক্রিয় ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে তার ভূমিকার কথা দলীয় নেতাকর্মীরা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।
২০২৪ সালের আন্দোলন-সংগ্রামের সময় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, নেতাকর্মীদের সমন্বয় এবং ভোরবেলার কর্মসূচি আয়োজনসহ নানা সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার সক্রিয়তা উপজেলাজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। অনেকের মতে, কঠিন সময়েও সাংগঠনিক গতি ধরে রাখার সক্ষমতা তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
শুধু দলীয় রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার কারণেও তিনি সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। বিভিন্ন সামাজিক, সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মানুষের পাশে থাকার প্রবণতা তাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে বলে স্থানীয়রা জানান। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ ও কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি প্রায়ই আলোচিত হয়।
জামালপুর সদর উপজেলার ১নং কেন্দুয়া ইউনিয়নের সোনাকাতা গ্রামের মোঃ তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র রুহুল আমীন মিলনকে এলাকার গর্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নির্বাচনী কার্যক্রমে তার সাংগঠনিক তৎপরতা দৃশ্যমান। ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে ১৫ ইউনিয়নের মধ্যে ১নং কেন্দুয়া ইউনিয়ন থেকে সর্বোচ্চ ভোট প্রদানে যে সমন্বয় ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি ছিল, তার পেছনে তার সক্রিয় ভূমিকার কথা স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্বীকার করেন।
এমন ধারাবাহিক রাজনৈতিক সক্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততার প্রেক্ষাপটে জামালপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে একটি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্থানীয় আড্ডা কিংবা রাজনৈতিক আলোচনায় অনেকেই মত দিচ্ছেন রুহুল আমীন মিলনকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান তারা। তাদের বিশ্বাস, তৃণমূলভিত্তিক রাজনীতির অভিজ্ঞতা ও মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ উপজেলা পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অবশ্যই দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায় ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে। তবে মাঠপর্যায়ে যে আলোচনা ও জনমত গড়ে উঠছে, তা স্পষ্টভাবেই ইঙ্গিত দেয় জামালপুর সদর উপজেলা রাজনীতিতে রুহুল আমীন মিলনের নাম এখন সম্ভাব্য নেতৃত্বের আলোচনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে এসেছে।



সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন