শেরপুর জেলার তিনটি নির্বাচনী আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা কার্যালয়গুলোতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন।
সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমানের কাছে পর্যায়ক্রমে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
শেরপুর-১ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, জাতীয় পার্টির মাহমুদুল হক মনি, জামায়াত মনোনীত রাসেদুল ইসলাম রাসেদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. সফিকুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র হিসেবে সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ইলিয়াছ উদ্দিন।
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন বিএনপি মনোনীত ফাহিম চৌধুরী, জামায়াত মনোনীত মো. গোলাম কিবরিয়া, জাতীয় পার্টির রফিকুল ইসলাম বেলাল, বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইলিয়াছ খান এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত আব্দুল্লাহ আল কায়েছ।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপি মনোনীত সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত মো. নুরুজ্জামান বাদল, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত আবু তালেব মো. সাইফ উদ্দিন এবং বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা।
প্রার্থীরা নিজ নিজ দলীয় নেতাকর্মীসহ (সর্বোচ্চ পাঁচজন) মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, যদিও মোট ৩০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেছিলেন, শেষ পর্যন্ত তিনটি আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এদিকে শেরপুর-২ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারায় নির্বাচন কার্যালয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
জেলা নির্বাচন অফিস জানায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
সে সময় গ্যালারি টারনিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিরাপত্তায় ছিল চোখে পড়ার মত। মেটাল ডিটেক্টর ও হ্যান্ড ডিটেক্টর মাধ্যমে নিরাপত্তার নিশ্চিত করে মরণপত্র দাখিল করতে দেওয়া হয়। সে সময় উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল নাসরিন আক্তার , শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা, জেলা গোয়েন্দার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম খান, ডিএসপির জেলা ডিআইও ১ শহিদুল ইসলামসহ এন এস আই জি জি এফ আই ও বিভিন্ন সংস্থার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন