বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১)-এর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে মৃত্যুবরণ করা নুরুজ্জামান বাদলের প্রথম জানাজা বুধবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে শেরপুর পৌর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, শেরপুর সদর আসলে জামায়েত ইসলামীর এমপি প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সদর উপজেলা বিএনপি'র আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ হযরত আলী, শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ সিরাজুল ইসলাম, শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব শেরপুর মডেল গার্লস ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ পলাশ, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ হাসান বাদল, শেরপুর ও দলীয় নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মুসল্লিরা অংশ নেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নুরুজ্জামান বাদল দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তিনি নির্বাচনী ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। নিয়মিত ডায়ালাইসিস গ্রহণের পাশাপাশি গভীর রাত পর্যন্ত দলের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।
শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বলেন, নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে দল একজন ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে হারালো। তাঁর মৃত্যুতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দলীয়ভাবে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পরে বিকেল ৫টায় শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানা যায় অংশগ্রহণ করেন বিএনপির এমপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল সহ বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়া বিভিন্ন দলের নেতা ও বিভিন্ন পেশাজীবীর কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন জানাজা শেষে নিজ গ্রাম পোড়াগড়ের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন