জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে জামালপুরে পথসভা, র্যালি ও বিনামূল্যে হেলমেট বিতরণ করা হয়েছে। "মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি", এ প্রতিপাদ্যে উদযাপিত হয়েছে দিবসটি।
জামালপুর বিআরটিএ'র আয়োজনে বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম।
উদ্বোধনের পর সেখান থেকে বের হয় এক বর্ণাঢ্য র্যালি। শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফৌজদারি মোড়ে গিয়ে র্যালিটি শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় এক পথসভা। পথসভা শেষে মোটরসাইকেল চালকদের মাঝে একশটি হেলমেট বিতরণ করে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর। দিবসটি উদযাপনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে জেলা প্রশাসন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে আমাদের সবারই ট্রাফিক আইন জানা আবশ্যক। একই সঙ্গে চালকদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা পোশাক পরিধান করলে কমে আসবে দুর্ঘনার ক্ষয়ক্ষতি। চালকদের মধ্যে অবশ্যই হেলমেট পরিধান করবেন মোটরসাইকেল আরোহীরা। এতে দুর্ঘটনা হলেও বেঁচে যাবে চালকের প্রাণ। চালকের জীবন বাঁচলে খেয়েপরে বাঁচবে তার পরিবার-পরিজন। আসুন আমরা সবাই সচেতন হই। সড়ক নিরাপদ রাখার দায়িত্ব আপনার আমার সকলের।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নওয়াজিস রহমান বিশ্বাস, এলজিইডির নির্বাহী কর্মকর্তা রোজদিদ আহম্মেদ, জামালপুর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক মো. মুনজিল হোসেন, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই-১) মো. জাহাঙ্গীর কবির, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান প্রমুখ।
মোটরসাইকেল চালক শাখাওয়াত হোসাইন বলেন, আমরা যারা মোটরসাইকেল চালাই তাদের অবশ্যই হেলমেট পরিধান করা উচিৎ। হেলমেট পড়ে গাড়ি চালালে দূর্ঘটনা থেকে যেমন রক্ষা পাওয়া যায়, তেমনি একটি পরিবারও বেঁচে যায়।
তিনি আরও বলেন, তাই আজ থেকে আমরা সবাই নিজের জীবন ও পরিবারকে বাঁচাতে হেলমেট পড়ে মোটরসাইকেল চালাবো। এরকম একটা মহৎ উদ্যােগ নেওয়া জন্য জামালপুর সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
এছাড়াও দিনব্যাপী শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে বিআরটিএ জামালপুর সার্কেল।



সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন