জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য মনোনীত প্রার্থীর নাম পরিবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। দলটির কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত সম্ভাব্য তালিকায় নিজেদের পছন্দের প্রার্থী স্থান না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ নভেম্বর শনিবার সকালে ইসলামপুর উপজেলার ঐতিহাসিক বটতলা চত্বরে মনোনয়নবঞ্চিত নেতা এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থকেরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নবী নেওয়াজ খান লোহানী বিপুল, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন সরকার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকিউল ইসলাম তিব্বত, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মনির খান লোহানীসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
তারা অভিযোগ করেন, তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয়ভাবে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হচ্ছে, যা স্থানীয়ভাবে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এ এস এম আব্দুল হালিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিএনপির সংগঠনকে সুসংগঠিত করেছেন এবং সকল আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। স্থানীয়দের মাঝে তার গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা ব্যাপক। তাই তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়ার চেষ্টা হলে তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা তা মেনে নেবেন না। অবিলম্বে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা পুনর্বিবেচনা করে জনপ্রিয় নেতা এ এস এম আব্দুল হালিমকে চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তারা।
মানববন্ধন শেষে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। বটতলা চত্বরে টায়ার জ্বালানো ও স্লোগানুমিছিলের কারণে এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সড়ক অবরোধের কারণে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে যে ধরনের অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে, তা শেষ পর্যন্ত দলীয় সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তৃণমূলের দাবির প্রতি কেন্দ্র কতটা সাড়া দেয়—এখন সেটিই দেখার বিষয়।


সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন