শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলামের কঠোর দিকনির্দেশনায় জেলা পুলিশ চোরাচালান ও মাদকের বিরুদ্ধে যে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে, তারই ধারাবাহিকতায় এবার নালিতাবাড়ীতে মিলেছে এক বড় সাফল্য। পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে পিকআপভর্তি ২৭৩ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আমদানিকৃত ভারতীয় মদসহ তিন মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২২ জুন সোমবার ভোরে উপজেলার নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি হলুদ রঙের পিকআপ থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। এতে গ্রেফতার কৃতদের মাধ্যমে মূল হোতাদের ধরার একটা সুযোগ রয়েছে বলে সুশীল সমাজে সাধারণ জনগণ মনে করছেন। জেলা পুলিশের চৌকস দল কর্তৃক গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন রুবেল মিয়া (৪৫) পিতা- সোরহাব আলী, গ্রাম- দিঘিরপাড়, ঝিনাইগাতী। লাল চান (২৩) পিতা- সামসুল হক, গ্রাম- গোমড়া, ঝিনাইগাতী। আলমগীর (২৩) পিতা- আব্দুল করিম, গ্রাম- রাংটিয়া, ঝিনাইগাতী। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় মদের একটি বড় চালান পিকআপে করে পাচার করা হচ্ছে—এমন একটি গোপন তথ্য পৌঁছায় জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে। এসপি মহোদয়ের তাৎক্ষণিক নির্দেশনায় নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ সোমবার ভোর ৬টার দিকে নয়ানিকান্দা গরুহাটি এলাকায় একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসায়। তল্লাশিকালীন সময়ে একটি সন্দেহভাজন হলুদ রঙের পিকআপকে থামানোর সংকেত দিলে ভেতরে থাকা মাদক কারবারিরা পুলিশ দেখে পালানোর চেষ্টা করে। তবে পুলিশ সদস্যদের তৎপরতায় তারা ঘটনাস্থলেই অবরুদ্ধ ও আটক হয়। পরবর্তীতে পিকআপটিতে তল্লাশি চালিয়ে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের ২৭৩ বোতল অবৈধ ভারতীয় মদ উদ্ধার এবং পিকআপটি জব্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জানান, উদ্ধারকৃত মদের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন: শেরপুর জেলাকে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত করতে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) স্যারের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। মাদকের সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ ধরনের মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।"

সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন