জামালপুর সদর উপজেলার ১নং কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান আজ সাধারণ মানুষের কাছে একজন মানবিক, সৎ ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহযোগিতা করা এবং উন্নয়নমূলক কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
মিজানুর রহমান মিজান বলেন, মানুষের জীবনে ভালো কাজই সবচেয়ে বড় পরিচয়। সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ধরে রাখতে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তিনি মনে করেন, একজন জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক কাজ নয়, বরং মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের কষ্ট লাঘবে আন্তরিকভাবে কাজ করা।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষ ধীরে ধীরে আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে। তবে সমাজকে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ রাখতে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বিকল্প নেই। তাই তিনি সবসময় চেষ্টা করেন সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করতে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ১নং কেন্দুয়া ইউনিয়নের কুটামনি গ্রামে অবস্থিত ০১নং কুটামনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য শ্রেণীকক্ষ সংস্কার, বেঞ্চ সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করে এবং সেগুলো বাস্তবায়ন করেন ১নং কেন্দুয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান। এছাড়াও তাকে আরো নানা সামাজিক কাজে দেখা যায়।
এলাকাবাসী জানান, মিজানুর রহমান মিজান শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন, তিনি একজন প্রকৃত সমাজসেবক। দিন-রাত যেকোনো সময় সাধারণ মানুষের ডাক পেলে তিনি ছুটে যান। অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা সহযোগিতা, দরিদ্র পরিবারের সহায়তা, রাস্তা-ঘাট সংস্কার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে তার সরব উপস্থিতি রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, “এতটা বিনয়ী, সহজ-সরল ও মানবিক মানুষ বর্তমান সময়ে খুব কমই দেখা যায়। তিনি মানুষের সাথে আন্তরিক আচরণ করেন এবং কখনো কাউকে অবহেলা করেন না। নিজের ব্যক্তিগত ব্যস্ততার মাঝেও সাধারণ মানুষের খোঁজখবর রাখেন।” জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন অভিভাবক হিসেবেই ১নং কেন্দুয়া ইউনিয়নের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মিজানুর রহমান মিজান। তার সততা, মানবিকতা ও জনসেবামূলক কর্মকাÐ ইতোমধ্যেই এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।
মিজানুর রহমান মিজান বলেন, “আমি চাই আমার ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ শান্তিতে ও ভালোভাবে জীবনযাপন করুক। মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই।”
সরেজমিনে দেখা যায়, ১নং কেন্দুয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও তিনি একই নিষ্ঠা, সততা ও মানবিকতা নিয়ে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।


সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন