বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট ২০২৬) জামালপুর সদরে উন্নয়ন সংঘের ডিটিআরসি হলরুমে, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর জেসমিন প্রকল্পের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষনে সদরের ১২ টা ইউনিয়নের ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর জেসমিন প্রকল্পের কমিউনিটি মার্কেট এজেন্ট, নারী উদ্যোক্তা এবং উৎপাদক দলের দলনেতাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় Australian NGO Cooperation Program (ANCP)-এর অর্থায়নে “Gender Inclusive Market Systems for Improved Nutrition (GESMIN)” প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও উন্নয়ন সংঘ যৌথভাবে বাস্তবায়ন করেছে।
প্রশিক্ষণে কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করেন ইস্পাহানী এগ্রো লিমিটেড, টাইগার এগ্রো লিমিটেড ও পেট্রোকেম বাংলাদেশ লিমিটেড।
প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল কৃষকদের পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ বালাই ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো।
প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন ও উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেন ভেল্যুচেইন স্পেশালিষ্ট মো. ফিরুজ কবির।
প্রশিক্ষণে উপস্থাপনা করেন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার গৌরাঙ্গ চন্দ্র সাহা।
প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন , পেট্রোকেম বাংলাদেশ লিমিটেডের এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মো. আমিনুল ইসলাম।
টাইগার এগ্রো লিমিটেডের ম্যানেজার রাকিবুল হাসান। আরো উপস্থিত ছিলেন জেসমিন প্রকল্পের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো: মনির হোসেন ভুইয়া ও নূর-ই জান্নাত। প্রশিক্ষণে উপস্থাপনা করেন বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার গৌরাঙ্গ চন্দ্র সাহা।
পেট্রোকেম বাংলাদেশ লি:এর এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, জৈব বালাইনাশক ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করলে রাসায়নিক বালাইনাশকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো সম্ভব। এসব বালাই ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও উপকারী পোকামাকড় সংরক্ষণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি কৃষিপণ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ কমানো এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বালাই ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরা ধরেন।
ইস্পাহানী এগ্রো লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার তানভীর আহম্মেদ বলেন, জৈব ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের রোগ-পোকা নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানোর সম্ভব।
টাইগার এগ্রো লিমিটেডের ম্যানেজার রাকিবুল হাসান বলেন- পরিবেশবান্ধব পচনশীল মালচিং, ভার্মি কম্পোস্ট ও ট্রাইকো-ডার্মা ব্যবহারের গুরুত্ব ও কাজ নিয়ে আলোচনা করেন।
কৃষিতে জৈব ও পরিবেশবান্ধব বালাইনাশকের ব্যবহার, কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
জৈব বালাইনাশক ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করলে রাসায়নিক বালাইনাশকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো সম্ভব। এসব বালাই ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও উপকারী পোকামাকড় সংরক্ষণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি কৃষিপণ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ কমানো এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব বালাই ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এ সময় সেইফগার্ড পলিসি, দুর্নীতি প্রতিরোধের সচেতনতা, হটলাইন নম্বর এবং জিরো-৫ বিষয়ে আলোচনা করেন কমিউনিটি ফেসিলিটেটর মাসুদ রানা।
সংশ্লিষ্টরা ভবিষ্যতেও কৃষকদের সঙ্গে এসব বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন।





সরকারি মিডিয়া (ডিএফপি) তালিকাভুক্ত জামালপুরের প্রচারশীর্ষ দৈনিক-সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন অনলাইন ভার্সন । আপনার মতামত প্রকাশ করুন